ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নরকে জোর করে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারে বসানোর ফল ভালো হবে না।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ারধারীই মালিক। “যে গ্রাহকের পাঁচটি শেয়ার আছে, সেও একজন মালিক। একটি সমৃদ্ধ ব্যাংক দখল হয়ে গেলে গ্রাহকরা বসে থাকবে না। গ্রাহক হিসেবে আমাকেও রাজপথে নামতে হতে পারে,” মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেলেও জনগণ ভালো নেই। তার দাবি, শিশু ধর্ষণ, হত্যা, খুন, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন স্তরে দলীয় লোকজন বসাতে ব্যস্ত।
তিনি সতর্ক করে বলেন, “স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ শাসনের ইচ্ছা থাকলে পরিণতির জন্যও ভাবতে হবে। জুলাই বারবার ফিরে আসবে। আমরা আর কোনো মূল্যবান জীবন হারাতে চাই না।” তার মতে, জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, ফলে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, কয়েকটি ব্যাংকে গ্রাহকেরা টাকা তুলতে সমস্যায় পড়ছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হলেও সেসব ব্যাংকের গ্রাহকেরা ভোগান্তিতে রয়েছেন। তার অভিযোগ, সরকার সমৃদ্ধ ইসলামী ব্যাংক দখলে ব্যস্ত এবং রাতের আঁধারে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।




























