লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইরান শুক্রবার হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত ঘোষণা করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির পথে থাকা দুটি প্রধান বাধা দূর হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির সুযোগে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো বোমাবিধ্বস্ত দক্ষিণ বৈরুত ও দক্ষিণাঞ্চলে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জানান, যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালীতে সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত থাকবে, তবে সামরিক জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও সতর্ক করে বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নৌ অবরোধ বহাল থাকবে। ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত কমে যায়।
অন্যদিকে ইসরাইল যুদ্ধকালীন বিধিনিষেধ শিথিল করে বেসামরিক চলাচল ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান শেষ হয়নি বলে সতর্ক করেছেন। ট্রাম্প এর বিরোধিতা করে জানান, যুক্তরাষ্ট্র লেবাননের সঙ্গে কাজ করে হিজবুল্লাহ সমস্যার সমাধান করবে এবং ইসরাইল আর লেবাননে হামলা চালাবে না।
যুদ্ধবিরতির আগে ইসরাইলি হামলায় দক্ষিণাঞ্চলীয় টাইরে অন্তত ১৩ জন নিহত হন। তবুও হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ ঘরে ফেরার পথে নেমে পড়েছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন স্থায়ী শান্তির জন্য ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার ও সীমান্ত বিরোধ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
পাকিস্তান দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, চুক্তি এখন “খুব কাছাকাছি।” এই অগ্রগতি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অবসান ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।































