বিএসএফ বন্দুক দেখিয়ে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে ঢোকাচ্ছে: এপিডিআর

0
59

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বন্দুকের ভয় দেখিয়ে নারী ও শিশুদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে পশ্চিমবঙ্গের মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস (এপিডিআর)। এ ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১১ জুন মালদা শহরে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার (৭ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এপিডিআর জানায়, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তাদের ঘোষিত ‘ডিটেক্ট, ডিপোর্ট, ডিলিট’ নীতির অংশ হিসেবে বিএসএফ সীমান্তে কথিত বাংলাদেশিদের আটককেন্দ্রে পাঠানো এবং বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে। সংগঠনটির দাবি, এসব পদক্ষেপের ফলে বহু মানুষ সীমান্তবর্তী এলাকায় মানবেতর অবস্থায় আটকা পড়েছেন।

এপিডিআর অভিযোগ করেছে, বিএসএফ বিশেষত নারী ও শিশুদের বন্দুকের ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) তাদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে না। ফলে সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে দিনভর খাবার ও পানীয় জল ছাড়া গর্ভধারিণী নারী ও শিশুসহ বহু মানুষ অমানবিক পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছে।

সংগঠনটি বলেছে, বিএসএফ দায়িত্ব অস্বীকার করে বলছে তারা বাংলাদেশি, আর বিজিবি বলছে তাদের বাংলাদেশি হওয়ার প্রমাণ নেই। ফলে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর বন্দুকের সামনে আটকে থাকা মানুষগুলো ভয়ংকর জীবনযাপন করছে।

এপিডিআর ভারতের ‘থ্রি ডি’ নীতিকে অসাংবিধানিক ও বেআইনি আখ্যা দিয়ে বলেছে, এটি ভারতের সংবিধানের ১৪ ও ২১ নম্বর ধারার পরিপন্থী। সংগঠনের সহসভাপতি রঞ্জিত শূর দাবি করেছেন, নো ম্যানস ল্যান্ডে ফেলে রাখা মানুষদের অবিলম্বে ফিরিয়ে নিতে হবে এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সৃষ্টিকারী ‘পুশ ব্যাক’ নীতি বাতিল করতে হবে। তিনি জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে