দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবানন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) থেকে ১০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি শুরু হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে জানান, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর উভয় পক্ষ এই সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “সারা বিশ্বে ৯টি যুদ্ধের সমাধান করা আমার জন্য সম্মানের বিষয় ছিল। এটি হবে আমার দশম কাজ, তাই চলুন, এটি সফল করি!”
শুধু যুদ্ধবিরতিই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ট্রাম্প প্রশাসন কাজ শুরু করেছে। এ জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান রেইজিন কেইনকে ইসরায়েল ও লেবাননের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপস্থিতিতে ৩৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইসরায়েল ও লেবাননের প্রতিনিধিরা সরাসরি বৈঠকে বসে। এই বৈঠকই যুদ্ধবিরতির পথ প্রশস্ত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে ট্রাম্পের ঘোষণায় ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ইসরায়েলের মূল লড়াই এই গোষ্ঠীর সঙ্গেই চলছে। তাই হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি কতটা মেনে চলবে বা ইরানের প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
































