কারিকুলাম ও সিলেবাসে পরিবর্তন আনছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী মিলন

0
13

শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শুধু জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক প্রথাগত শিক্ষা দিয়ে নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এজন্য সরকার কারিকুলাম ও সিলেবাস পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শিল্প ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় নেই, যা দূর করতে হবে। বিশাল জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করে কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

ড. মিলন শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, “শুধু বছর শেষে পরীক্ষা নিলেই হবে না, প্রতিদিনের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”

চীনের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত ও তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল উল্লেখ করে তিনি জানান, বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সেখানে পড়াশোনা করছে। বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে। বিশেষ করে চীনা ভাষা শেখা শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. বদরুজ্জামান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বক্তব্য দেন।

ফোরামে দুই দেশের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে