জাতীয় সংসদের নবম দিনে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসব কোম্পানির কাছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
৬ মার্চ (সোমবার) জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য প্রকাশ করেন।
খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি, সেসব ব্যাংকের সিনিয়র ব্যবস্থাপনা দলের সঙ্গে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বৈঠক করা হচ্ছে। এসব বৈঠকে খেলাপি ঋণ আদায়ের প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ব্যাংকার্স সভার মাধ্যমে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছে। এছাড়া বেশি খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকগুলোর জন্য বিশেষ রেজল্যুশন কৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে।
ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ বিআরপিডি সার্কুলার-০৬ জারি করা হয়েছে, যেখানে তাদের শনাক্তকরণ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর আইন বিভাগ শক্তিশালী করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে প্রতিটি ব্যাংককে খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নগদ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং ঋণ ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা চলছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।




































