যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, ওয়াশিংটনের দাবিগুলো ‘অতিরিক্ত’ হলেও কূটনৈতিক যোগাযোগ পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অব্যাহত রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করে তা শেষ করার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরান পাল্টাপাল্টি প্রস্তাব আদান-প্রদান করছে। তবে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও দুই পক্ষের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র এক দফা আলোচনা হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি জানান, তাদের মূল দাবি হলো বিদেশে জব্দ থাকা সম্পদ মুক্ত করা, দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধক্ষতিপূরণ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধকে ‘অবৈধ ও ভিত্তিহীন’ আখ্যা দেন।
ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে কেবল একটি পারমাণবিক স্থাপনা চালু রাখার অনুমতি দিতে চায় এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তরের দাবি করেছে। তবে জব্দ সম্পদের মাত্র ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
অচলাবস্থার মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে নতুন সংস্থা ‘পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষ’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী পশ্চিম ইরানের কুর্দিস্তান প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর ওপর হামলা চালানোর দাবি করেছে।

























