ইসরায়েলজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হিজবুল্লাহ ঘাঁটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এর জেরে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরান সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আইডিএফ।
রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় ইসরায়েলি দৈনিক টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য হামলার প্রেক্ষিতে আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির শীর্ষ কমান্ডারদের সঙ্গে জরুরি পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা প্রতিরক্ষামূলক ও পাল্টা আক্রমণ উভয় ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে এবং ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে যেকোনো হামলা সহ্য করা হবে না।
পরিস্থিতি বিবেচনায় হোম ফ্রন্ট কমান্ড জনসমাগম সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী বড় ধরনের জমায়েতে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিতে পারবে না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বাইরে সর্বোচ্চ ১০০ জন এবং ঘরোয়া স্থানে ৪০০ জনের বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে স্কুল চালু রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে।
এদিকে বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কয়েকজন নিহত এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এর আগেও বৈরুতে হামলার পর ইরান ইসরায়েলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল, যাতে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈরুতের সাম্প্রতিক হামলার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার থাকলেও এ ধরনের হামলা শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে। ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির সময় এ ধরনের পদক্ষেপ অনাকাঙ্ক্ষিত।
এখনো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়নি। পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

























