আসন্ন ঈদুল আজহায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় কোরবানির পশু বর্জ্য মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্বশীল ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করা পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থাও থাকবে।
বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর দয়াগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিবাস পরিদর্শন শেষে কর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য দেন।
প্রশাসক বলেন, শুধু পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ওপর নির্ভর করে শহর পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়। নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। ড্রেন ও খালে ময়লা ফেলার কারণে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়, তাই নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে ডিএসসিসি আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ১৮টি বহুতল আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ ভবনগুলো অপসারণ করে পর্যায়ক্রমে এসব আবাসন গড়ে তোলা হবে। নতুন ভবন নির্মাণের আগে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।
মিরনজিল্লা, ধলপুর, গণকটুলি, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী ও পোস্তগোলা এলাকায় এসব বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তাব ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত বাস্তবায়ন শুরু হবে।
নতুন আবাসন প্রকল্পে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাসিন্দার সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। শিশুদের জন্য খেলার মাঠ, উপাসনালয় এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধাও রাখা হবে।
এছাড়া কর্মীদের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হবে এবং গ্যাস বিল পরিশোধে ডিএসসিসি সহায়তা করবে।
পরিদর্শনকালে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




























