পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন ঘটেছে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয় নিশ্চিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে ২০৬টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি। বিপরীতে তৃণমূল জয় পেয়েছে ৮০টি আসনে। বাম-আইএসএফ জোট এবং কংগ্রেস পেয়েছে ২টি করে আসন। ফল ঘোষণার পর রাজ্যজুড়ে লাড্ডু-মিষ্টি বিতরণে মেতে ওঠেন বিজেপি সমর্থকেরা। অন্যদিকে স্তব্ধ হয়ে যায় তৃণমূলের সব আস্ফালন।
বিজেপির বিপুল জয় নিশ্চিত হতেই প্রশাসনিক স্তরে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সচিবালয় নবান্নসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচার বা গায়েব হওয়া ঠেকাতে প্রতিটি ফটকে কড়া পাহারা বসানো হয়েছে। সরকারি সূত্র জানায়, নবান্নে প্রবেশ বা বের হওয়ার সময় প্রত্যেককে তল্লাশি করা হচ্ছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের নেপথ্যে নানা কারণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের মতে, তাঁর শাসনামলে নতুন শিল্পায়ন হয়নি; বরং বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া ভাতা নির্ভর রাজনীতি, ভূমি দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগও তৃণমূলকে জনবিচ্ছিন্ন করেছে। তরুণসমাজ চাকরির সুযোগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছে।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে রাজ্যবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

























